মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যক্রমঃ  

 

যুব সমাজকে সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত করে জাতীয় উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্তকরণ এবং সঠিক দিক-নির্দেশনা, জ্ঞান ও দক্ষতা প্রদানের মাধ্যমে মানবসম্পদে পরিণত করার লক্ষ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিম্নবর্ণিত কর্মসূচী চালু রয়েছেঃ

(ক)       প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কোর্সসমূহঃ

  • গবাদিপশু, হাঁস-মুরগী পালন, প্রাথমিক চিকিৎসা, মৎস্য চাষ ও কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স।
  • মৎস্য চাষ প্রশিক্ষণ কোর্স।
  • পোষাক তৈরী ও দর্জি বিজ্ঞান প্রশিক্ষণ কোর্স।
  • কম্পিউটার বেসিক প্রশিক্ষণ কোর্স।
  • কম্পিউটার গ্রাফিকস প্রশিক্ষণ কোর্স।
  • ইলেকট্রিক্যাল এন্ড হাউজ ওয়ারিং প্রশিক্ষণ কোর্স।
  • রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ার কন্ডিশনিং প্রশিক্ষণ কোর্স।
  • ইলেকট্রনিক্স প্রশিক্ষণ কোর্স।
  • ব্লক প্রিন্টিং প্রশিক্ষণ কোর্স।
  • ব্লক, বাটিক ও স্ক্রিন প্রিন্টিং প্রশিক্ষণ কোর্স।
  • হাউজকিপিং এন্ড লন্ডি অপারেশনস প্রশিক্ষণ কোর্স।
  • মডার্ণ অফিস ম্যানেজমেন্ট এন্ড কম্পিউটার এ্যাপ্লিকেশন প্রশিক্ষণ কোর্স।
  • দুগ্ধবতী গাভী পালন ও গরু মোটাতাজাকরণ প্রশিক্ষণ কোর্স।
  • বিউটিফিকেশন এন্ড হেয়ার কাটিং প্রশিক্ষণ কোর্স।

 

(খ)      প্রশিক্ষিত যুবদের আত্মকর্মসংস্থান কর্মসূচীঃ

বেকার যুবদের প্রশিক্ষণ দেয়ার পর প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়। প্রশিক্ষিত যুবদের যুব ঋণ সহায়তা ও উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে আত্মকর্মে নিয়োজিত করা হয়। আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত যুবদের মাসিক আয়= ১৫০০/- টাকা থেকে ৫০০০০/- টাকা পর্যমত্ম। তবে কোন কোন সফল যুব মাসে ১০০০০০/- টাকারও বেশী আয় করে থাকে।

 

(গ)      যুব ঋণ কর্মসূচীঃ

            একক ঋণ কর্মসূচীঃ

            এ কর্মসূচীর আওতায় প্রাতিষ্ঠানি ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কোর্সে প্রশিক্ষিত যুবদের একক ঋণ প্রদান করা হয়। প্রত্যেক সদস্যকে সর্বনিম্ন ৫০০০/= টাকা হতে সর্বোচ্চ ৫০০০০/= টাকা ঋণ প্রদান করা হয়্

 

(ঘ)      বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ে ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচীঃ

            এ কর্মসূচীর আওতায় বেকার যুবদের এইচআইভি/ এইডস/ এসটিডি প্রতিরোধ, প্রজনন স্বাস্থ্য, মাদক দ্রব্যের অপব্যবহার, সামাজিক রীতি-নীতি, মূল্যবোধ, জেন্ডার ও উন্নয়ন, যৌতুক, সুশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষন, সিভিক এডুকেশন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, পরিবার কল্যাণ ইত্যাদি বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।